The second wave of corona may come only if the safety of the workers fails

The second wave of corona may come only if the safety of the workers fails. Lockdown and strict measures are being taken across the country to prevent the coronavirus epidemic. The general holiday has been going on across the country since March 26, 2020 due to the increase in the incidence of coronavirus.

Garments Labour pic

The Bangladesh government had announced the closure of import and export activities including all factories in the country. The government allowed the opening of the country’s garment factory only after the end of the 4th phase of the holiday, even though the general holiday was to be increased in several phases.

The ILO fears that a second wave of corona could erupt if workers are not properly protected after being brought back to work.

The International Labor Organization (ILO) said in a statement from its office in Geneva on Tuesday (April 28th).

The statement said that in order to bring the workers back to work, the employers have to take strict security and hygiene measures. Otherwise the whole country will be in danger including the life crisis of the workers.

See details below …

More News:

Bangladesh Army Job circular 2020

Pran Group Job Circular 2020

The army is giving food from house to house from their own rations

শ্রমিকদের নিরাপত্তায় ব্যর্থ হলেই আসতে পারে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন ও কঠোর ব্যবস্থা । করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়াতে গত ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে দেশব্যাপী চলছিল সাধারণ ছুটি ।

দেশের সকল কারখানাসহ আমাদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ সরকার । কয়েক দফায় সাধারণ ছুটি বৃদ্ধি পেতে থাকলেও ৪র্থ ধাপের ছুটি শেষ হওয়ার পরেই দেশের গার্মেন্টস কারখানা খোলার অনুমতি দেয় সরকার ।

এক্ষেত্রে শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে নিয়ে আসার পর যদি তাদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হয় তাহলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইএলও।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংস্থাটির অফিস  জেনেভা থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আশঙ্কার করা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষকে কঠোর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে । অন্যথায় শ্রমিকদের জীবন সংকটসহ পুরো দেশ ঝুকিতে থাকবে ।

আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিধির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল শ্রমিক, তাদের পরিবার ও সমাজকে করোনার ছুবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব ।

সরকার গার্মেন্ট খোলার অনুমতি দেওয়ার পরই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গার্মেন্টস শ্রমিকরা কোন সামাজিক দুরত্ব না মেনে স্রোতের মত ঢাকার দিকে আসতে দেখা যায় । চাকরি হারানোর ভয়ে কোন সামাজিক দুরত্ব  না মেনে ঝুকিপূর্ণ ভাবে কর্মস্থলে ফিরেছেন সাধারণ শ্রমিকরা । কোন ধরণের সচেতনতা বজায় না রেখেই অফিস করে যাচ্ছে সকল শ্রমিকেরা ।

এরই মধ্যে জানা গেছে, সাভার আশুলিয়াতে ৩ জন পোষাক কারখানার শ্রমিক করোনা সনাক্ত হয়েছে । তবুও মালিক পক্ষের নেই বাড়তি কোন প্রদক্ষেপ ।

সরকার করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে , সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিয়ে শ্রমিকদের কাজে নিয়োগের কথা জানিয়েছে । সেই সাথে ঢাকার আশেপাশে যেসব শ্রমিক বসবাস করে শুধুমাত্র তারাই যেন কাজে যোগ দেয় । যেসব শ্রমিকরা দুর-দুরান্তে ভিন্ন জেলায় বসবাস করে তাদের কাজে না আসার কথা বলা হয়েছে ।

সেই সাথে সেসব কাজে যোগদান না করা দুর-দুরান্তের শ্রমিকদের বেতন সময়মত মালিকপক্ষকে পৌছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ।

অথচ গণ-পরিবহণ বন্ধ থাকার পরেও জীবনের ঝুকি নিয়ে এসব শ্রমিকেরা ট্রাকে, পিকাপ ভ্যানে, ফেরীতে করে ঢাকায় পৌছে কাজে যোগদান করেছে ।

এই বেপারে শ্রমিকরা জানায় , মালিকপক্ষ তাদের চাকরি না থাকার হোমকি দিয়ে কাজে আসতে বলায় তারা এতটা ঝুকি নিয়ে কাজে ফিরতে বাধ্য হয়েছে ।

এছাড়া বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এভাবে ঝুকি নিয়ে কাজে যোগদান করাতে শ্রমিকদের মাধ্যমে দ্রুত করোনার আক্রমন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে । এসব নিম্ন আয়ের মানুষের অবাদে চলাফেরার জন্যই ঝুকিতে রয়েছে দেশে । এছাড়া এসব শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে আসতে পারে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ।

The second wave of corona may come only if the safety of the workers fails

ILO Director-General Guy Ryder said only proper implementation of safety and health regulations in the workplace can protect workers, their families and society from coronary heart disease.

After the government allowed the opening of garments, garment workers from different districts of the country were seen coming to Dhaka like a stream without accepting any social distance. Ordinary workers have returned to work in a risky manner without accepting any social distance for fear of losing their jobs. All the workers are going to the office without maintaining any kind of awareness.

Meanwhile, three garment factory workers in Savar Ashulia have been identified as Corona. However, the owner has no additional steps.

The government has said it will hire workers to deal with coronavirus (Covid-19) by maintaining hygiene, maintaining social distance and providing adequate protection. At the same time, only those workers who live in the vicinity of Dhaka should join the work. Workers who live in different districts far and wide have been told not to come to work.

At the same time, it has been said that the wages of the distant workers who do not participate in those activities should be paid to the employer on time.

However, even after the closure of public transport, these workers risked their lives to reach Dhaka by truck, pickup van and ferry.

In this case, the workers said, they were forced to return to work at such a risk because the employer threatened them not to have a job.

In addition, experts say, coroner attacks can spread across the country through workers who take risks to join the work. These low-income people are at risk in the country. Besides, if these workers cannot be provided security, the second wave of corona may come.

 Source:  Somoy TV News

Corona VirusLive UpdateBD

 World update of the Corona virus

Leave a Comment